Tuesday, May 10, 2022

কলিং ভিসা না খুলতে মালয়দের আন্দোলন

 মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের প্রতিবাদ জানিয়ে দূতাবাসের সামনে মালাই দের আন্দোল

Malays protest in front of the embassy protesting the employment of Bangladeshi workers in Malaysia

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শ্রমিক প্রবেশে আপত্তি জানিয়েছে মালয়েশিয়ান অ্যাসোসিয়েশন অফ স্মল অ্যান্ড মিডিয়াম এন্টারপ্রেনারস (ইখলাস)। ১০ মে মঙ্গলবার সকালে মালয়েশিয়াস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনের সামনে জড়ো হয়ে দেশটিতে ৫ লাখ বাংলাদেশি শ্রমিকের প্রবেশে তীব্র আপত্তি জানিয়েছে।


অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি, দাতুক মোহাম্মদ রিদজুয়ান আবদুল্লাহ বলেছেন, সরকারের উচিত দেশে বিদ্যমান বিদেশী কর্মীদের 'ক্লিনজিং' অভিযান চালিয়ে হোয়াইটওয়াশ করা। যে সমস্ত অভিবাসী কর্মী দেশটিতে এখনও অবৈধ হিসেবে রয়ে গেছেন তাদের বৈধ করার আহবান জানানো হয়। তার মতে, ৫ লাখ বাংলাদেশি শ্রমিকের প্রবেশ মালয়েশিয়ার অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলবে এবং অনেক স্থানীয় শ্রমিক তাদের চাকরি হারাবে। মূলত মালয়েশিয়ার নাগরিকরা জানে যে তারা অনেক অলস, তাদের বিপক্ষে বাংলাদেশি কর্মীরা প্রচুর পরিশ্রম,, মালয়েশিয়াতে বেশিরভাগ কল-কারখানা হচ্ছে চাইনিজদের আন্ডারে মানে চাইনিজরা হচ্ছে এগুলোর মালিক,,, মূলত চাইনিজ রাইস বাংলাদেশিদেরকে অনেক পছন্দ করে শ্রমিক হিসেবে,, কারণ 5 জন মালয়েশিয়ার নাগরিক যে পরিমান কাজ করে একজন বাংলাদেশী নাগরিক সে পরিমান কাজ করতে পারে প্রতিদিন,, তাছাড়া চাইনিজ বস এরা মালয়েশিয়ার লোকাল নাগরিকদেরকে কাজের জন্য বেশি একটা চাপ দিতে পারেনা। তবে সেটা যদি ফরেনার ওয়ার্কার হয় তাহলে তো কোন কথাই নেই যা বলে তাই করে। মূলত এই কারণেই মালয়েশিয়ায় প্রচুর বাংলাদেশি শ্রমিকের চাহিদা ্্

The Malaysian Association of Small and Medium Entrepreneurs (Ikhlas) has objected to Bangladeshi workers entering Malaysia. On the morning of Tuesday, May 10, Bangladesh gathered in front of the High Commission in Malaysia and strongly objected to the entry of 500,000 Bangladeshi workers into the country.




 The association's president, Datuk Mohamad Ridjuan Abdullah, said the government should carry out a 'cleansing' campaign to whitewash the existing foreign workers in the country. All migrant workers still in the country illegally are called upon to legalize. According to him, the entry of 500,000 Bangladeshi workers will affect the Malaysian economy and many local workers will lose their jobs. Basically Malaysian citizens know that they are very lazy, Bangladeshi workers work hard against them, most of the factories in Malaysia are owned by Chinese, which means Chinese own them,, basically Chinese rice likes Bangladeshis as workers, because 5 Malaysian citizens who A Bangladeshi citizen can do that amount of work every day, moreover, the Chinese boss cannot put much pressure on Malaysian local citizens to work. But if it is a foreign worker, then there is no word that does what it says. This is the main reason why there is a huge demand for Bangladeshi workers in Malaysia


Friday, May 6, 2022

বাংলাদেশ আসতে অনলাইনে পূরণ করতে হবে হেলথ ডিক্লারেশন ফরম।

 বাংলাদেশ আসতে অনলাইনে পূরণ করতে হবে হেলথ ডিক্লারেশন ফরম। 



২০ এপ্রিল এ সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করেছে বেবিচক। পরবর্তী নির্দেশনা জারি না করা পর্যন্ত এ নির্দেশনা কার্যকর থাকবে। 


বাংলাদেশে এতো দিন বিদেশ থেকে দেশে আসার সময় হাতে লিখে যাত্রীদের পূরণ করতে হতো হেলথ ডিক্লারেশন ফরম। এতে বিমানবন্দরে এসে যাত্রীদের ফরম পূরণ করে জমা দিতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হতো। এই জটিলতা দূর করতে দেশে আসার ৩ দিনের মধ্যে হেলথ ডিক্লারেশন ফরম পূরণ করার নিয়ম চালু করতে স্বাস্থ্য অধিদফতর ৭ এপ্রিল বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যানকে চিঠি দেয়।


২০ এপ্রিল বেবিচকের ফ্লাইট স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড রেগুলেশনস বিভাগের সদস্য চৌধুরী এম জিয়াউল কবির স্বাক্ষরিত নির্দেশনায় বলা হয়েছে, 


✅যাত্রীদের দেশে আসার আগে হেলথ ডিক্লারেশন ফরমপূরণ করতে হবে। ফ্লাইটের ৩দিনের বেশি আগে এই ফরম পূরণ করা যাবে না।


✅https://healthdeclaration.dghs.gov.bd/ এ ওয়েব সাইটে গিয়ে অনলাইনে ফরম পূরণ করতে হবে। ফরমটি পূরণ করার পর কিউ আর কোড যুক্ত হেলথ কার্ড আসবে, সেটি প্রিন্ট করে কিংবা মোবাইলে সফট কপি নিজের কাছে রাখতে হবে।


✅কোন যাত্রী ট্রানজিট হয়ে আসার পথে যদি ৩য় কোন দেশে প্রবেশ করে, তবে তাকে পুনারায় হেলথ ডিক্লারেশন ফরম পূরণ করতে হবে। তবে সেই দেশে প্রবেশ না করে শুধু বিমানবন্দরে ট্রানজিট হয়ে আসলে নতুন আবারও হেলথ ডিক্লারেশন ফরম পূরণ করতে হবে না।


✅ বোডিং এর সময় এয়ারলাইন যাত্রীর হেলথ কার্ড আছে কি না যাচাই করবে।


✅দেশে আসার পর বিমানবন্দরে কিউআর কোড যুক্ত হেলথ কার্ড দেখাতে হবে যাত্রীকে।


✅ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুমোদিত যে কোন টিকার র্পূণ ডোজ যারা নিয়েছেন তাদের বাংলাদেশ আসতে করনো পরীক্ষা করতে হবে না।


✅ যাত্রীদের ভ্যাকসিন গ্রহনের প্রমাণ সঙ্গে রাখতে হবে। 


✅ যেসব যাত্রী এক ডোজ কিংবা কোন ভ্যাকসিন নেননি, তাদের বাংলাদেশ আসতে হলে ৭২ ঘন্টার মধ্যে করোনা পরীক্ষা করে নেগেটিভ রিপোর্ট থাকতে হবে।


✅১২ বছরের নিচে শিশুদের কোন করোনা টেস্ট করাতে হবে না। তবে তাদের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত অন্যান্য নির্দেশনাগুলো মানতে হবে।


✅বাংলাদেশ থেকে বিদেশে যেতে করোনা পরীক্ষারও বাধ্যবাধকতা থাকছে না। যাত্রীরা যে দেশে যাবেন, সেদেশের নির্দেশনা অনুসরণ করবেন।


✅ টিকা নেয়া বা না নেয়া কোন যাত্রীর মধ্যে করোনার লক্ষণ বা উপসর্গ দেখা যায় তাহলে বিমানবন্দরের স্বাস্থ্য বিভাগ যাত্রীর করোনা টেস্ট করাবে। টেস্টে তার রিপোর্ট করোনা পজেটিভ আসলে তাকে নিজ খরচে সরকার নির্ধারিত হোটেলের সাতদিন আইসোলেশনে থাকতে হবে। এরপর পুনরায় ৭দিন পর আবারও করোনা পরীক্ষা করা হবে।


✅ ফ্লাইটে যাত্রী বহনের সংখ্যার ওপর বিধি নিষেধ শিথিল করেছে বেবিচক। নির্দেশনায় এয়ারলাইনগুলোকে বলা হয়েছে, ফ্লাইটে করোনা আক্রান্ত যাত্রী ধরা পড়লে আলাদা বসার জন্য ছোট আকারের উড়োজাহাজে শেষের রো-এর সব সিট খালি রাখতে হবে।


✅ আগে ৩০০ জন যাত্রী ধারণে সক্ষম উড়োজাহাজে ৯৫ শতাংশের বেশি যাত্রী না নেওয়ার বিধান ছিলো। এখন বড় উড়োজাহাজেও ইকোনমেকি ক্লাসের শেষের রো-এর সব সিট খালি রাখতে হবে। বিজনেস ক্লাসে ১টি সিট খালি রাখতে হবে।


Monday, April 4, 2022

বিদেশ থেকে কি কি আনতে পারবেন

 

কাস্টমস: বিদেশ থেকে বাংলাদেশে আসার সময় 
শুল্ক দিয়ে এবং বিনা শুল্কে আনতে পারবেন যেসব জিনিস

                               
বিদেশথেকে বাংলাদেশে ফেরার সময় একটি বিষয় নিয়ে অনেকেই চিন্তিত থাকেন, সেটি হলো আইনানুগভাবে কী কী জিনিসপত্র তারা আনতে পারবেন। অনেকসময়ই দেখা যায় পরিবার বা বন্ধুদের জন্য শখ করে কিনে আনা বা নিজের প্রয়োজনীয় কোনো একটি পণ্য আইনি অনুমোদন না থাকায় আটক করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। আবার যথাযথ নিয়ম মেনে শুল্ক দিয়ে পণ্যটি ছাড়ানোর উদ্দেশ্য থাকলেও পূর্বপ্রস্তুতি না থাকায় অনেকসময় তাও সম্ভব হয় না। বিদেশ থেকে দেশে ফেরার সময় বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী শুল্ক না দিয়ে কোন ধরণের জিনিস কী পরিমাণ আনা যায় এবং শুল্ক প্রদান করে কোন ধরণের জিনিসপত্র আনা যায় আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবসে তার একটি তালিকা দেওয়া হলো।

বিদেশ থেকে আসা যাত্রীদের একটি ফর্ম পূরণ করে কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিতে হবে, যেই ফর্মে ঘোষণা দিতে হবে তারা কোন জিনিস কী পরিমাণে বহন করছেন।

তবে প্রতিবছরই বাজেটের সময় এই তালিকা পরিবর্তন হয়। ২০১৯-২০২০ অর্থবছরের বাজেট অনুযায়ী যেসব পণ্য দেশে আনা যায়, তা নিম্নে তালিকাভুক্ত করা হলো।

কোনো শুল্ক না দিয়ে আনা যাবে যেসব জিনিস:

গৃহস্থালীর ব্যবহারের পণ্য
১০০ গ্রাম ওজন পর্যন্ত স্বর্ণালঙ্কার ও ২০০ গ্রাম ওজন পর্যন্ত রৌপ্যালঙ্কার (এক ধরণের অলঙ্কার সংখ্যায় ১২টির বেশি না হলে)
ব্যক্তিগত ব্যবহারের ক্রীড়া সরঞ্জাম
টাইপরাইটার , ঘরে ব্যবহারের সেলাই মেশিন, সিলিং ফ্যান ও টেবিল ফ্যান
রাইস কুকার, প্রেশার কুকার, গ্যাস ওভেন, মাইক্রোওয়েভ ওভেন, ইলেকট্রিক ওভেন, টোস্টার, স্যান্ডউইচ মেকার, ব্লেন্ডার, ফুড প্রসেসর, জুসার ও কফি মেকার

বিদেশ থেকে কোনো অসুস্থ যাত্রী আসলে সেই যাত্রীর চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি
১৫ বর্গমিটার আয়তন পর্যন্ত কার্পেট
ইলেকট্রনিক্স পণ্য
সর্বোচ্চ দুইটি মোবাইল ফোন সেট
ক্যাসেট প্লেয়ার, সিডি প্লেয়ার, বহনযোগ্য অডিও সিডি প্লেয়ার
ডেস্কটপ বা ল্যাপটপ কম্পিউটার, সাথে একটি ইউপিএস'ও আনা যাবে
কম্পিউটার স্ক্যানার, প্রিন্টার ও ফ্যাক্স মেশিন
পেশাদার কাজে ব্যবহৃত হয় এরকম ক্যামেরা বাদে ভিডিও ক্যামেরা (এইচডি ক্যমেরা, ডিভি ক্যামেরা, বেটা ক্যামেরা) ও ছবি তোলার ডিজিটাল ক্যামেরা
১৯ ইঞ্চি পর্যন্ত এলসিডি কম্পিউটার মনিটর
২৯ ইঞ্চি পর্যন্ত প্লাজমা, এলসিডি, এলইডি, সিআরটি টেলিভিশন
সর্বোচ্চ চারটি স্পিকারসহ সিডি, ভিসিডি, ডিভিডি, এলডি বা ব্লু ডিস্ক প্লেয়ার
যেসব জিনিস আনতে শুল্ক প্রদান করতে হবে

কিছু পণ্য ব্যক্তিগত ও গৃহস্থালি কাজে ব্যবহার হলেও সেগুলো আনার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট পরিমাণ শুল্ক ও কর পরিশোধ করতে হবে। সেগুলো হলো:

রেফ্রিজারেটর ও ডিপ ফ্রিজ ৫ হাজার টাকা
উইনডো টাইপ এয়ার কন্ডিশনার ৭ হাজার টাকা
স্প্লিট টাইপ এয়ার কন্ডিশনার (১৮০০০ বিটিইউ পর্যন্ত) ১৫ হাজার টাকা
স্প্লিট টাইপ এয়ার কন্ডিশনার (১৮০০০ বিটিইউ এর বেশি) ২০ হাজার টাকা
ডিশ অ্যান্টেনা ৭ হাজার টাকা
২৩৪ গ্রাম পর্যন্ত স্বর্ণের বার বা পিণ্ড ১০০ গ্রামের পর থেকে প্রতি ১১.৬৬৪ গ্রামে ২ হাজার টাকা হারে
২৩৪ গ্রাম পর্যন্ত রৌপ্যের বার বা পিণ্ড ২০০ গ্রামের পর থেকে প্রতি ১১.৬৬৪ গ্রামের জন্য ৬ টাকা হারে
পেশাদার ভিডিওর কাজে ব্যবহার হয় এরকম এইচডি,
ডিভি, বেটা ক্যামেরা ১৫ হাজার টাকা

এয়ারগান বা রাইফেল (বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন সাপেক্ষে) ৫ হাজার টাকা
ঝাড়বাতি ৩০০ টাকা (প্রতি পয়েন্ট)
ডিশ ওয়াশার, ওয়াশিং মেশিন ও কাপড় শুকানোর ড্রায়ার ৩ হাজার টাকা
এছাড়া ৩০ ইঞ্চি থেকে ৬৬ ইঞ্চি বা তার চেয়ে বড় আকৃতির প্লাজমা, এলইডি, এলসিডি টেলিভিশনের ক্ষেত্রে ১০ হাজার থেকে ৯০ হাজার টাকা পর্যন্ত শুল্ক দিতে হবে।

এছাড়া বিদেশী পাসপোর্ট রয়েছে, এমন ব্যক্তি সর্বোচ্চ এক লিটার পরিমাণ মদজাতীয় পানীয় আনতে পারবেন।

ঢাকা কাস্টমসের একজন শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা জানান, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিদেশ থেকে অনেকেই একাধিক মোবাইল ফোন আনার চেষ্টা করেছেন। এর ফলে ব্যবসায়িক উদ্দেশ্য না রেখে ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য দুইয়ের বেশি মোবাইল ফোন আনলেও কখনো কখনো শুল্ক ছাড়াই ছাড় দেয়া হয় ব্যক্তিকে।

নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাধারণত কর্মকর্তারা দৈবচয়নের ভিত্তিতে সর্বোচ্চ ৫% যাত্রীর লাগেজ পরীক্ষা করে থাকেন।

তবে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা সংস্থার বা গোয়েন্দা সংস্থার কোনো পূর্ব সতর্কতা থাকলে নিরাপত্তার খাতিরে সবাইকে পরীক্ষা করে থাকেন কর্মকর্তারা।

বিদেশ যাওয়ার পূর্বের প্রস্তুতি ও করণীয়

বিদেশ যাওয়ার পূর্বের প্রস্তুতি ও করণীয়




কাজের জন্য বিদেশ যাওয়ার পূর্বের প্রস্তুতি ও করণীয়
০১। বৈধভাবে বিদেশ যাবার জন্য সিদ্ধান্ত নিন এবং পাসপোর্ট করুন।
০২। প্রথমে লাভ ক্ষতি হিসাব করুন তারপর বিদেশ গমনের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিন
০৩। পাসপোর্ট পাবার পর আপনার নিজ জেলার জোন DEMO তে গিয়ে নিবন্ধন করুন।
০৪। গন্তব্য দেশের ভাষার প্রশিক্ষণ নিন। সারাদেশে ৪০টি টিটিসিতে মন্ত্রণালয়ের
 আওতাধীন বিএমইটি ভাষা প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে।
০৫। পছন্দ ও দক্ষতা অনুযায়ী কাজের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করুন। বর্তমানে ৬৪টি টিটিসি এবং ৬টি
 আইএমটিতে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে।

০৬। সরকার অনুমোদিত বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সি‘র মাধ্যমে গমন করুন।

০৭। ভালোমত পড়ে ও বুঝে চুক্তিপত্র স্বাক্ষর করুন।টিভিসি-১
০৮। বিদেশ যাওয়ার পূর্বে সমস্ত কাগজপত্রের ৩ সেট ফটোকপি করুন।
০৯। বিএমইটির স্মার্ট কার্ড গ্রহণ করুন।টিভিসি-২  
১০। বিদেশ যাওয়ার পূর্বে ব্যাংক হিসাব খুলু্ন। (TVC)
১১। বিদেশ যাওয়ার পূর্বে ৩ দিনের প্রাক বর্হিগমন প্রশিক্ষণে অংশ নিন। (TVC)
১২। সংশ্লিষ্ট ডিইএমও অফিসে ফিঙ্গার প্রিন্ট বা আঙ্গুলের ছাপ নিন। (TVC)
১৩। অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করুন।
১৪। প্রবাসীদের সহযোগিতা ও সামগ্রিক কল্যাণের জন্য ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের সাহায্য নিন।
১৫। বিদেশ যেতে ও বিদেশ থেকে ফিরে সহজ শর্তে স্বল্প সুদে র্্ণ নিন।
 

Sunday, March 27, 2022

Privacy Policy Fast connect Vpn app

 Privacy Policy

Apu built the Fast connect Vpn app as a Free app. This SERVICE is provided by Apu at no cost and is intended for use as is.

This page is used to inform visitors regarding my policies with the collection, use, and disclosure of Personal Information if anyone decided to use my Service.

If you choose to use my Service, then you agree to the collection and use of information in relation to this policy. The Personal Information that I collect is used for providing and improving the Service. I will not use or share your information with anyone except as described in this Privacy Policy.

The terms used in this Privacy Policy have the same meanings as in our Terms and Conditions, which are accessible at Fast connect Vpn unless otherwise defined in this Privacy Policy.

Information Collection and Use

For a better experience, while using our Service, I may require you to provide us with certain personally identifiable information, including but not limited to dx.idea232323@gmail.com . The information that I request will be retained on your device and is not collected by me in any way.

The app does use third-party services that may collect information used to identify you.

Link to the privacy policy of third-party service providers used by the app

Log Data

I want to inform you that whenever you use my Service, in a case of an error in the app I collect data and information (through third-party products) on your phone called Log Data. This Log Data may include information such as your device Internet Protocol (“IP”) address, device name, operating system version, the configuration of the app when utilizing my Service, the time and date of your use of the Service, and other statistics.

Cookies

Cookies are files with a small amount of data that are commonly used as anonymous unique identifiers. These are sent to your browser from the websites that you visit and are stored on your device's internal memory.

This Service does not use these “cookies” explicitly. However, the app may use third-party code and libraries that use “cookies” to collect information and improve their services. You have the option to either accept or refuse these cookies and know when a cookie is being sent to your device. If you choose to refuse our cookies, you may not be able to use some portions of this Service.

Service Providers

I may employ third-party companies and individuals due to the following reasons:

  • To facilitate our Service;
  • To provide the Service on our behalf;
  • To perform Service-related services; or
  • To assist us in analyzing how our Service is used.

I want to inform users of this Service that these third parties have access to their Personal Information. The reason is to perform the tasks assigned to them on our behalf. However, they are obligated not to disclose or use the information for any other purpose.

Security

I value your trust in providing us your Personal Information, thus we are striving to use commercially acceptable means of protecting it. But remember that no method of transmission over the internet, or method of electronic storage is 100% secure and reliable, and I cannot guarantee its absolute security.

Links to Other Sites

This Service may contain links to other sites. If you click on a third-party link, you will be directed to that site. Note that these external sites are not operated by me. Therefore, I strongly advise you to review the Privacy Policy of these websites. I have no control over and assume no responsibility for the content, privacy policies, or practices of any third-party sites or services.

Children’s Privacy

These Services do not address anyone under the age of 13. I do not knowingly collect personally identifiable information from children under 13 years of age. In the case I discover that a child under 13 has provided me with personal information, I immediately delete this from our servers. If you are a parent or guardian and you are aware that your child has provided us with personal information, please contact me so that I will be able to do the necessary actions.

Changes to This Privacy Policy

I may update our Privacy Policy from time to time. Thus, you are advised to review this page periodically for any changes. I will notify you of any changes by posting the new Privacy Policy on this page.

This policy is effective as of 2022-03-27

Contact Us

If you have any questions or suggestions about my Privacy Policy, do not hesitate to contact me at dx.idea232323@gmail.com.

Friday, February 4, 2022

৫ টি ব্যাংক থেকে জামানত ছাড়া বিদেশ যাওয়ার জন্য লোন পাবেন

 

বৈধভাবে বিদেশে শ্রমিক পাঠাতে এগিয়ে আসছে আমাদের দেশের ব্যাংক গুলো। টাকার অভাবে যারা চাকরি নিয়ে বিদেশে যেতে পারছেন না স্বল্প সুদে লোন দিয়ে ব্যাংক তাদের সহায়তা করবে। তবে শর্ত হলো আপনাকে অবশ্যই কোন চাকুরী নিয়ে বিদেশে যেতে হবে এবং জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোতে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। তাহলেই ব্যাংক আপনাকে বিদেশ যাওয়ার জন্য লোন দেবে। লোনের টাকায় বিদেশ গিয়ে চাকরি করে লোন পরিশোধ করার সুযোগ পাওয়া যাবে। বৈধভাবে চাকরি নিয়ে বিদেশে যেতে উৎসাহ দিতে কিছু ব্যাংক এ উদ্যোগ নিয়েছে। স্বল্প সুদে ও কোনরকম জামানত ছাড়াই এই লোন দেয়া হচ্ছে। যা ইতিমধ্যে বিদেশ যেতে চায় এমন মানুষদের মধ্যে ভালো সাড়া ফেলেছে। বেশ কিছু ব্যাংক এই প্রকল্প চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে। ৫ টি ব্যাংক থেকে জামানত ছাড়া বিদেশ যাওয়ার জন্য লোন পাবেন

এখন পর্যন্ত ৫টি ব্যাংক এ প্রকল্প চালু করেছে। ব্যাংক গুলো হলঃ

  • ১. প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক,
  •  সোনালী ব্যাংক,
  •  অগ্রণী ব্যাংক,
  • পূবালী ব্যাংক,
  • এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক।

এই ৫ টি ব্যাংক ৯ থেকে ১৪ শতাংশ সুদে এই প্রকল্পে লোন দিচ্ছে। সবনিম্ন ২.৫ থেকে সবচ্চো ৩ লাখ টাকা লোন দেওয়া হচ্ছে। লোনের মেয়াদ ১ থেকে ৩ বছর। লোন প্রদানের শর্তাবলী ব্যাংক গুলোতে প্রায় একই রকম। একবার ভিসা নিশ্চিত হয়ে গেলে, আবেদনকারীকে অবশ্যই ভিসার দুটি ফটোকপি ব্যাংকে জমা দিতে হবে। ব্যাংক সমস্ত কাগজপত্র যাচাই করে ফোন বা এসএমএসের মাধ্যমে ৩ দিনের মধ্যে বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেবে।

প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকঃ

প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক এই প্রকল্পের নাম দিয়েছে “অভিবাসন ঋণ প্রকল্প”। পরিশোধের মেয়াদ ২ বছর। লোনের পরিমান বিভিন্ন দেশে অনুসারে আলাদা আলাদা হয়। সুদের হার ৯%। আপনি যদি সিঙ্গাপুরে যান, আপনাকে লোন পরিশোধের জন্য ১২ মাস সময় দেওয়া হবে।প্রতি মাসে ১ টি করে কিস্তিতে পরিশোধ করতে হবে। এছাড়াও, আপনি যদি অন্য দেশে যান, তবে আপনাকে এই লোন আপনাকে ২ বছরে বা ২২ টি কিস্তিতে পরিশোধ করতে হবে। লোন মঞ্জুর হওয়ার পরে দুই মাসের ছাড় পাবেন। তার মানে আপনাকে প্রথম ২ মাস লোনের কিস্তি দিতে হবে না।

সোনালী ব্যাংকঃ

সোনালী ব্যাংক এই লোন প্রকল্পটির নাম দিয়েছে “প্রবাসী কর্মসংস্থান ঋণ প্রকল্প”। সর্বোচ্চ লোনের পরিমাণ ৩ লাখ টাকা। সর্বাধিক প্রদানের সময় ৩ বছর। লোনটি ২ বছরে ২৪ কিস্তিতে বা ৩ বছরে ৩৬ কিস্তিতে পরিশোধ করতে হবে। উভয় মেয়াদে ৩ মাসের গ্রেস পিরিয়ড পাবেন। আপনাকে প্রতি মাসে ১ টি কিস্তি দিতে হবে। সরল সুদের হিসাবে লোনের সুদের হার ১২% অর্থাৎ লোনের সুদের উপর কোন সুদ নেওয়া হবে না। আপনাকে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের মতো করে লোনের জন্য আবেদন করতে হবে।

অগ্রণী ব্যাংকঃ

অগ্রণী ব্যাংক এই লোন প্রকল্পের নাম দিয়েছে “প্রবাসী ঋণ প্রকল্প”। আপনি সর্বোচ্চ ৩ লাখ টাকা লোন পাবেন। সর্বনিম্ন ১৮ থেকে সর্বোচ্চ ৪৫ বছরের বাংলাদেশী যেকোনো নাগরিক বিদেশ যাওয়ার জন্য অগ্রণী ব্যাংক থেকে ৫০,০০০/- টাকা থেকে ৩,০০,০০০/- টাকা পর্যন্ত ১৫ থকে ১৮ মাসের কিস্তিতে লোন নিতে পারবেন।

এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকঃ

এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক এই প্রকল্পটির নাম দিয়েছে ‘এনআরবি মাইগ্রেশন লোন’। সর্বোচ্চ ৩ লাখ টাকা লোন নিতে পারবেন। এখানে সুদের হার ১৪%। ১, ২ ও ৩ বছরে এই লোন পরিশোধ করতে পারবেন। গ্রেস পিরিয়ড পাবেন ৩ মাস। আপনি বিদেশ যাওয়ার ৩ মাস পর থেকে লোনের মাসিক কিস্তি পরিশোধ শুরু করতে হবে। সর্বনিম্ন ১৮ থেকে সর্বোচ্চ ৫৫ বছরের বাংলাদেশী যেকোনো নাগরিক লোন নিতে পারবেন।

পূবালী ব্যাংকঃ

পূবালী ব্যাংক এই প্রকল্পটির নাম দিয়েছে ‘নন রেসিডেন্ট ক্রেডিট স্কিম’। সর্বোচ্চ ২.৫ লাখ টাকা লোন নিতে পারবে। লোনের মেয়াদ ২ বছর বা ২৪ মাস। প্রতি মাসে কিস্তিতে টাকা পরিশোধ করতে পারবেন। প্রথম ২ মাস গ্রেস পিরিয়ড। এই ব্যাংকে সুদের হার ১৩%। কোনো জামানত লাগবে না।

এই লোন লাভের যোগত্য সমুহঃ

আবেদনকারীর অনুপস্থিতিতে তাকে অবশ্যই তার আত্মীয়-স্বজনদের লোন ফেরত দেওয়ার দায়িত্ব গ্রহণ করতে হবে। অর্থনৈতিকভাবে সচ্ছল এমন কোন ব্যক্তিকে এই লোনে পরিশোধের গ্যারান্টি দিতে হবে। একবার ভিসার সত্যতা যাচাই হয়ে গেলে, আপনাকে অবশ্যই ব্যাংক ম্যানেজার এর কাছে লোনের জন্য আবেদন করতে হবে। লোন নেওয়ার সময়, আবেদনকারীকে একটি সঞ্চয়ী অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে এবং এই অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে তার সমস্ত আয় বা রেমিট্যান্স দেশে পাঠাতে হবে। লোন পরিশোধের জন্য অবশ্যই একটি হলফনামা জমা দিতে হবে।

লোনের্ আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রঃ

লোন আবেদনকারীকে ব্যাংকের নির্ধারিত ফরম পুরন করে স্বাক্ষর দিয়ে আবেদন করতে পারবেন। আবেদনপত্রের সাথে যে সকল কাগজপত্র লাগবে তা হলঃ

    • ১. সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক ইস্যুকৃত আবেদনকারীর নাগরিক সনদপত্র।
    • ১ কপি ভোটার আইডি কার্ডের ফটোকপি।
    • ৩ কপি পাসপোর্ট সাইজের সত্যায়িত ছবি।
    • পাসপোর্টের ১ কপি সত্যায়িত ফটোকপি।
    • যে দেশে যাবেন সেই দেশের চাকুরীর নিয়োগপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি।
    • চাকরির নিয়োপত্রের সত্যতা সম্পর্কে বাংলাদেশ সরকারের শ্রম ও জনশক্তি এবং প্রবাসী কল্যান ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রনালয়ের অনুমোদনপত্রের ১ কপি ফটোকপি।
    • শ্রম ও জনশক্তি এবং প্রবাসী কল্যান ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রনালয় কর্তৃক আবেদনকারীর পক্ষে ইস্যুকৃত বিদেশ গমনের কমিশন বা সার্ভিস চার্জের বিবরণ সম্বলিত প্রতয়ন পত্র।
      আবেদনকারীর মাসিক বেতন থেকে লোনের কিস্তির অর্থের পরিমান ও চাকুরীর মেয়াদ সম্পর্কে শ্রম ও জনশক্তি এবং প্রবাসী কল্যান ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রনালয়ের প্রদান করা গমন পত্র।

লোনের জন্য যেভাবে আবেদন করতে হবেঃ

ভিসা পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বরাবর লোনের জন্য আবেদন করতে হবে। প্রবাসে যাবার খরচের বিবরন, আবেদনকারীর ৩ কপি, জামানতদারদের ২ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি, জাতীয় পরিচয়পত্রের ১ কপি ফটোকপি ও বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা সহ পৌরসভার, ইউনিয়ন পরিষদের সার্টিফিকেটের সত্যায়িত ফটোকপি জমা দিতে হবে। এছাড়া নন-জিডিসিয়াল স্ট্যাম্পে যেই ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিটেন্স পাঠানো হবে সেই অংগীকারনামও জমা দিতে হবে।

শেষ কথাঃ

এই ৫ টি ব্যাংক থেকে জামানত ছাড়া বিদেশ যাওয়ার জন্য লোন পাবেন । উপরোক্ত ব্যাংক গুলোর মাধ্যমে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত লোন নিয়ে আপনি প্রবাসে এতে পারবেন। এই লোনের সব থেকে ভাল দিক হল আপনাকে কোন কিছু জামানত রাখতে হবে না। বিনা জামানতে আপনি লোন নিয়ে বিদেশ যেতে পারবেন। চাকরি করে মাসে মাসে টাকা দিয়ে সেই লোন পরিশোধ করার সুযোগ পাবেন। এই সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে আমাদের কমেন্ট করুন। আপনার বিদেশ যাত্রা নিরাপদ হোক। ধনবাদ।